বাকখালী নদী ভরাটে ফলে কক্সবাজার শহর জলমগ্ন,কুহেলিকা নদী ভরাট ফলে মাছে অকাল

বাকখালী নদী ভরাটে ফলে কক্সবাজার শহর জলমগ্ন,কুহেলিকা নদী ভরাট ফলে মাছে অকাল

।পার্বত্য জেলা বান্দরবানের পাহাড়ি এলাকা মিয়ানমার সীমান্ত থেকে নেমে আসা প্রায় ৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁকখালী নদীর প্রশস্ততা ছিল ১২০ মিটার। কিন্তু এখন প্রতিনিয়ত দখলের কারণে নদীর প্রশস্ততা কমে কক্সবাজার শহরের কোথাও ৫০ মিটার, কোথাও ৬০-৭০ মিটারে এসে দাঁড়িয়েছে। পাহাড় খেকোদের পাহাড় কাটার কারণেও খরস্রোতা বাঁকখালী নদী এখন ভরাট হয়ে সরু হয়ে গেছে। এই সুযেগে বাঁকখালীর বুকে অনেক জায়গায় ধান ও সবজি চাষ করেছেন দখলকারীরা। ওদিকে গত কয়েক বছর আগে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন বাঁকখালী নদী ড্রেজিং করার উদ্যোগ নিলেও রহস্যজনক কারণে তা চাপা পড়ে আছে। কক্সবাজার শহরে উত্তর পাশে বাকখালী নদী,বর্ষার সময় এ নদীতে শহরে পানি এসে পড়ে। বাকখালী ভরাট ও দখল হওয়ার কারণে পর্যটন শহর বর্ষায় জলযট হচ্ছে বেশ কয়েক বছর ধরে

দ্বীপ উপজেলার মহেশখালী ও মাতারবাড়ির মাঝখানে অবস্থিত কেহেলিয়া কক্সবাজার জেলার অন্যতম নদী। মাতারবাড়ীতে নির্মাণাধীন কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালামাল ও পণ্য পরিবহনের উদ্দেশ্যে মীর আক্তার হোসেন লিমিটেড কোহেলিয়া নদীর ৭.৪ কিলোমিটার অংশ ভরাট করে রাস্তা নির্মাণ করে নদীর গতি পথে বাধা সৃষ্টি করে। এতে প্রভাব পড়ছে নদীর দু›পাশের হাজারো মানুষের জীবন জীবিকায়। এই নদীকে কেন্দ্র করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন মহেশখালী মাতারবাড়ী, কালারমারছড়া ও ধলঘাটা, ইউনিয়নে বসবাসরত দরিদ্র দুই হাজারের অধিক জেলে ও লবণ চাষি পরিবার। কোহলিয়া ভরাটের কারণে তাদের জীবন জীবিকায় মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। মহেশখালী ও মাতারবাড়ী এলাকা দেশের লবণশিল্পের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নদী দিয়ে বছরে চার-পাঁচ মাস গড়ে দৈনিক ২০-২৫টি লবণের নৌকা যাতায়াত করত। এখন তা বন্ধ রয়েছে। এই নদী ভরাটের কারণে লবণচাষি, সংশ্লিষ্ট ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরাও ক্ষতির মুখে পড়েছে।