শিক্ষক মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন নজরুল স্মারক সম্মাননা পেল

মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন পেশায় শিক্ষক। মানবাধিকার বিষয়ে তিনি ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করছেন একযুগের অধিক সময় ধরে। নজরুল চর্চার উপর বিশেষ ভূমিকা রাখায় তিনি নজরুল স্মারক সম্মাননা পেলেন। বিদ্রোহী কবিতার শতবর্ষ উদযাপনে চেতনায় চর্চায় নজরুল সংগঠনের উদ্যোগে ১৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত এনায়েত বাজার মহিলা কলেজ মিলনায়তনে তাকে উক্ত নজরুল স্মারক সম্মাননা দেওয়া হয়, সংগঠনের আহ্বায়ক এডভোকেট এম এম মুস্তাফা নূর এর সভাপতি প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য ও আমাদের চট্টগ্রাম পত্রিকার সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরী। উদ্বোধক ছিলেন মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে কিশোর মুক্তিযুদ্ধ হিসেবে যিনি চট্টগ্রামে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিলেন জ্যৈষ্ঠ নাগরিক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রের পরিষদ এ্যালামনাইয়ের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মাহফুজুল হক চৌধুরী, নজরুল গবেষক এম এ সবুর, ক্লাসের নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার প্রবর্তক প্রিন্সিপাল ডঃ মুহাম্মদ সানাউল্লাহ, নারী অধিকার নেটওয়ার্কের সভাপতি ইয়াসমিন কবির, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক জাসদ ছাত্রলীগের সভাপতি মুজতবা কামাল।

মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন ছাপা মোতালেব হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক থাকাকালীন সময়ে ২০১৬ সালে একুশে আগস্ট নজরুলকে জানুন নামে একটি প্রোগ্রামের সাথে তিনি সংশ্লিষ্ট হন,জাতীয় কবিতা মঞ্চ আয়োজিত এ প্রোগ্রামে প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল শিক্ষার্থীদের মাঝে নজরুলকে জানানো, নজরুলকে জানুন এই প্রোগ্রামে তিনি যৌথ সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করেন,জিয়া উদ্দিনের চেষ্টায় ২০১৭ সালে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানাধীন খোয়াজ নগর রিজিয়া নাসরিন উচ্চ বিদ্যালয় নজরুলকে জানুন প্রোগ্রামটির উপরে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করা হয়েছিল। তিনি নজরুল ভক্ত এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে নজরুলকে তিনি প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছেন। এই কারণে নজরুল প্রেষণা কমিটির উদ্যোগে তাকে সম্বর্ধিত করা হয়। এছাড়া তার দক্ষতার ও সহযোগিতার ফলে চট্টগ্রামে অনেকগুলো স্কুল এমপি ভুক্ত হয়েছে। বর্তমানে যে স্কুলে তিনি চাকরি করেন এটাও তার প্রচেষ্টায় এমপিও ভুক্ত হয়েছে। তাছাড়া কলেজিয়েট ছাপা মোতালে হাই স্কুল,খোয়াজ নগর রিজিয়া নাসরিন উচ্চ বিদ্যালয় সম্প্রীতি তার প্রচেষ্টায় এমপিও ভুক্ত করা সম্ভব হয়েছে এবং মানবাধিকার বিষয়ে তিনি ২০০৮ সাল থেকে কাজ করে আসছেন,২০১২-১৩ ইংরেজিতে সিলেট মানবাধিকার সম্মেলন, চট্টগ্রাম সম্মেলনে সক্রিয় ছিলেন,তাছাড়া মানবাধিকার বিষয়ে চট্টগ্রামে প্রতিটি দিবস গুলোই তিনি স্বশরীরে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করেছেন। সম্প্রতি একটি পত্রিকার প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।