পুলিশের কাছে অভিযোগ করার পরও অটোরিকশার ধাক্কায় চট্টগ্রামের বাকলিয়া এক ব্যক্তি নিহত।

চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানা এলাকায় অটোরিকশার ধাক্কায় শামসুল আলম নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। এই দুর্ঘটনার একমাস পূর্বে এইসব টমটম নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ প্রশাসনের কাছে স্থানীয় কউন্সিলর অভিযোগ করেছিলেন। কিশোর ড্রাইভার দ্বারা বেপরোয়া টমটম ও অটো রিক্সার চালানোর কারণে কালামিয়া বাজার টু বলির হাটের সড়কে চলাচলকারী এসব বেটারী চালিত অটো প্রতিনিয়ত ও ব্যাপক দুর্ঘটনা হয়ে থাকে, এতে বেশ কয়েকজন মানুষ আহত ও পঙ্গু হয়েছে এ ব্যাপারে এলাকাবাসী এব্যাপার স্থানীয় জনগণ ওয়ার্ড কাউন্সিলট হারুনুর রশীদকে অভিযোগ করে। ওয়ার্ড কাউন্সিলর ১৮ জানুয়ারি বাকলিয়া থানা, ডিসি ট্রাফিককে লিখিতভাবে অভিযোগ করে। এসব টমটম অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় দুর্ঘটনায় একজন ব্যক্তি নিহত হলো। এলাকাবাসির অভিযোগের পরে টমটমের দৌরাত্ম আরো বেড়ে যায়,গত ১৯ ফেব্রুয়ারিতে আছরের সময় উক্ত এলাকায় সড়কের পাশে চান্দগাজী কবরস্থানের সামনে জেয়ারত করার সময় টমটমে ধাক্কায় শামসুল আলম(৫৫) গুরুতর আহত হয়। ১ মার্চ রাত ১১টায় চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যায়।নিহত ব্যক্তি স্থানীয় হাটখোলার নিবাসী আব্দুল মজিদের পুত্র। পুলিশ লাশের ময়না তদন্তের উদ্যোগ নিলে পরিবারের আপত্তির কারণে তা সম্ভব হয়নি বলে বাকলিয়া থানা ওসি জানান।নিহতের পরিবারের বক্তাব্য জানা যায়, লাশ নিয়ে অনেক হয়রানী শিকার হয়েছে। মেডিকেল ও থানায় ঘুরাঘুরি এক প্রকার বিরক্তি হয়েছে।প্রতিবেদকের সাথে কথা বলতে নারাজ, তারা বলেন,থানা থেকে বলা হয়েছে মামলা করতে গেলে সড়ক দুর্ঘটনার গাড়ী নম্বর লাগবে এসব বিষয় পরিবারকে সংগ্রহ করতে হবে, এসব গাড়ীর নম্বর নেই।পুলিশের নাকের ডগায় এসব বেটারী চালিত টমটমগাড়ি গুলো চলছে।এদের পিছনে বড় বড় গডফাদার রয়েছে। তাই তারা মামলায় যেতে পারছে না বলে লাশে ময়না তদন্ত করায়নি।এলাকাবাসি নাম না প্রকাশের সত্বে জানান,সড়কে এসব অবৈধ টমটম ও অটো রিক্সার চার সদস্যের একটি কিশোর গ্যাং দ্বারা পরিচালিত হয়ে আছে।এদের বড় ভাই রাজনৈতিক ভাবে প্রভাবশালী,এলাকাবাসি স্থানীয় কাউন্সিলর অভিযোগ করেছিল, তিনি চেষ্টা করেছিলেন এসব দক্ষ বয়স্ক অটোর ড্রাইভার নিয়োগ, বেপোয়ারা গতি নিয়ন্ত্রণে। তাতে তিনি ব্যর্থ হয়ে পুলিশকে লিখিতভাবে অভিযোগ করে।পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা নিলে এরকম দুঘর্টনা ঘটতো না।
নিহতের লাশ দাফন কাফনে দায়িত্ব পালন করেন বাকলিয়া থানা এলাকার গাউছিয়া কমিটির হাসানের মানবিক টিম, দাফন-কাফন কার্যক্রমের দায়িত্বে ছিলেন মোহাম্মদ ওয়াহিদ, নাফিজ ইমতিয়াজ, রুমেল শাহেদ।২মার্চ বাদ আছর নিহতের জানাজা দাফন সম্পন্ন হয়।